• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

১৮ বছর পলাতক থাকার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

24live@21
আপডেটঃ : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩

একটি মামলার আসামি মোহাম্মদ সবদুলকে (৬৫) ২০০৫ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এরই মধ্যে তিনি এলাকায় বসতবাড়ি তৈরি করেন। মাঠে ফসলও আবাদ করেন। কিন্তু পুলিশের কাছে ১৮ বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন। পুলিশ তাঁকে বছরের পর বছর ধরে খুঁজছিল।

সেই সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ সবদুলকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১২। শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চল জুতাশাহি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ সবদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইলিয়াস খান প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৮৮ সালে আসামি সবদুলসহ ২১ জন তাঁর শ্বশুরবাড়ির পক্ষের আত্মীয় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার লক্ষ্মীনগর গ্রামের সিজন শিকদার নামের এক ব্যক্তিকে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর করেন। পরে সিজন শিকদার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

র‍্যাব জানায়, এ ঘটনার প্রায় এক বছর পর রাজশাহীর একটি আদালতে মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর একবার জামিনে মুক্তি পান সবদুল। ২০০৫ সালে সবদুলসহ বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন আদালত। রায় হওয়ার পর সবদুল দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী চরে গিয়ে ঘর তৈরি করে বসবাস করতে শুরু করেন। তিনি চরে জমি আবাদ করেন। মাঝেমধ্যে বাঘায় আসা-যাওয়া করতেন। দৌলতপুর থানা-পুলিশ তাঁকে অনেক বছর ধরে খুঁজছিল।

ইলিয়াস খান আরও বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ সবদুল জুতাশাহি এলাকার মৃত মনু সর্দারের ছেলে। তাঁকে দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সূত্র :প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ