• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতাকে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদন্ড : ১৪ জনের যাবজ্জীবন

24live@21
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

জেলা সদরে যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদ হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড ও ১৪ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

আজ বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দা আমিনা ফারহিন এ রায় প্রদান করেন।
মামুনুর রশিদ সদরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি চন্দ্রগঞ্জের আমানি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু তৈয়ব খানের ছেলে।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে- মো. মধু, মো. মামুন, বাবু ওরফে গলাকাটা বাবু, মো. শামীম ও কাউছার ওরফে ছোট কাউছার।
এছাড়া যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে- জাহাঙ্গীর আলম, নেহাল, মো. বোরহান, মো. তুহিন, জাকির হোসেন, সোহরাব হোসেন, বাছির আহাম্মদ, মো. মিজান, আলমগীর হোসেন, কছির আহম্মেদ, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, তারেক আজিজ সুজন ও মো. টিপন ওরফে জাহাঙ্গীর আলম।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানাযায়, স্থানীয় সন্ত্রাসী সোলায়মান উদ্দিন জিসানের সঙ্গে মামুনের দ্বন্ধ সৃষ্টি হয়। এতে জিসান বাহিনীর সদস্যরা মামুনকে হত্যার জন্য হুমকি দিতো। পরে জিসান নিহত হলে তার ছোটভাই তুহিন সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হয়ে এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করে আসছিল। আর এ সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজনকে গ্রেফতারে পুলিশকে সহযোগীতা করে মামুন।

এদিকে সন্ত্রাসী জিসান হত্যার ঘটনায় মামুন ও ওমর ফারুক নামে আরও এক ব্যক্তিকে দায়ী করে তুহিন। এ কারণে বাহিনীর সক্রিয়দের নিয়ে মামুন ও ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করে তুহিন। ২০১৫ সালের ১৮ মে রাতে মামুনকে আসামিরা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব আমানি লক্ষ্মীপুর গ্রামে গুলি করে হত্যা করে। পরদিন মামুনের ভাই ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম হাক্কানি আদালতে ২১জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৪ জনকে যাবজ্জীবনেএবং ২ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি জসীম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রায়ের সময় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মধু ও যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত টিপন আদালতে উপস্থিত ছিল। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে। রায়ে রাষ্ট্র পক্ষ সন্তুষ্ট।

সূত্র :বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ